বীটরুট কিমচিঃ বীটরুট খেতে হবে। বলতে পারেন খেতেই হবে। এর কারণ আপনি হার্ট, কিডনি, লিভার, ব্লাড প্রেশার এগুলো ঠিকঠাক ফাংশন করুক সেটাই চাচ্ছেন। বীটরুট থেকে প্রায় সবটাই পাচ্ছেন। বিশ্বময় বীটরুটকে পাওয়ার হাউস বলে, কারণ ওটায় অমূল্য নাইট্রেট আছে। বীটরুট এমন আরো কিছু এক্সেপশনাল নিউট্রিয়েন্টস বয়ে আনে, যেগুলো শরীর অবধারিতভাবেই চায়। নিয়মিতই চায়। বলা যায় কম খরচে সুস্থ থাকার পথটা সহজতর করে দেয় বীটরুট।
বীটরুট খেতে একদম ভালো না, অনেকে তো খেতেই পারেন না। তবে যখন ওটা কিমচি হয়, গন্ধটা আকর্ষনীয় হয়ে যায়, স্বাদটা হয় ঝাল ঝাল টক টক অপরূপ। বীটরুট হার্ট ও লিভারের সুরক্ষা দেয়, প্রেসার কমায়, নিরলস কাজ করে রক্তো সঞ্জালনে। এর ভিটামিন বি, সি ও ফোলেট আপনার ইমিউন সিস্টেম শক্তিমান করে, ম্যাঙ্গানিজ কপার ও ম্যাগনেশিয়াম আপনাকে শক্তির যোগান দেয় ভেতর থেকে। পর্যাপ্ত ফাইবার পাচন প্রক্রিয়া সহজ করে আপনাকে রাখে ঝরঝরে ও কর্মোদ্যমী। আর কিমচির যে পর্যাপ্ত প্রোবায়োটিকস, সেগুলো যে কতভাবে নিয়ামক হয়, আজ আপনি হয়ত আমার চেয়ে বেশিই জানেন। নিয়মিত মজা করে বীটরুট খাবার অভ্যাস তৈরী করতে চান তো বীটরুট কিমচি খান। যেহেতু কিমচি তৈরীতে রান্নার দরকার হয়নি, বীটরুট তাই চরিত্র অক্ষুন্ন রেখেছে, সমুদয় উপকারী নিউট্রিয়েন্টস সাথে নিয়েই পৌছে যাচ্ছে খাবার টেবিলে।
বীটরুট কিমচিতে অনেক বেশি কিছু ব্যবহৃত হয় না। একদম তাজা টকটকে লাল বীটরুটে একটু গোচু জ্যাং, সাথে কিছু সিজনিং সস, সাদা তিল আর একটু ব্রাউন সুগার। ফার্মেন্টেশনে সুগার অস্তিত্ব হারিয়ে তৈরী করে ল্যাকটোবাসিল, সেটাই উঠেপড়ে লেগে কাজ করে শরীরের সুগার নিয়ন্ত্রনে। বীটরুট কিমচি ঘরে আছে মানেই আপনার পাচনপ্রক্রিয়া ঠিক আছে, খাবারে রুচি আছে, সার্বিক ভালোলাগা ষ্ট্যান্ডবাই দাঁড়িয়ে আছে আপনার সেবায়।
প্রতিদিন মাত্র এক চামচ বীটরুট কিমচি, আপনি প্রতিদিন সুস্থ আর সর্বদাই প্রানবন্ত
