আপনি ঘরে বসে উন্নত মানের ক্যাফির বানাতে পারেন নিজেই। সহযোগী হবে ক্যাফির বীজ। হোম মেইড ক্যাফির বীজ। আমেরিকার তৈরি স্টার্টার কালচার ব্যবহার দিয়ে কালচার কওরে তৈরি হয় ক্যাফির বীজ। লিকুইড ফর্ম, ঘনত্বে দুধ ও দইয়ের মাঝামাঝি, ভেতরে কিছু গ্রেইন থাকবে। এটা ক্যাফির তৈরিতে কাজ করবে সহজে ও স্বল্পতম সময়ে। আমাদের পেইজে ক্যাফির ও ক্যাফির বীজ আলাদা করে ভিডিওতে দেখানো হয়েছে, দেখে নিবেন প্লিজ।
বীজ দিয়ে ক্যাফির তৈরীর কাজটা অত্যন্ত সহজ। ক্যাফির ও হয় বিশ্ব মানের। প্রথমে ফুটন্ত গরুর দুধ গ্লাসে ঢেলে নিন, তাপমাত্রা কমে ৪৫ ডিগ্রীতে আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। এরপর ওই দুধে এক টেবিল চামচ ক্যাফির বীজ দিয়ে ভালভাবে মিশিয়ে দিন। এবার গ্লাসটা ঢেকে রাখুন ৬-৮ ঘন্টা। এরপর সেটা ফ্রীজে নিয়ে রাখুন আরো দুই ঘন্টা। ব্যাস। এরপর গ্লাসে আপনি যেটা পাবেন সেটাই বিশ্বমানের মিল্ক ক্যাফির। আপনার বানানো ক্যাফির দিয়ে আরো একবার ক্যাফির হবে, তবে এর পরের ধাপে হবে টক দই।
এটা ক্যাফির বীজ, এটা ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্রেড ক্যাফির গ্রেইন নয়। এটা খাবার জন্যও নয়, শুধু ক্যাফির তৈরিতেই এটা ব্যবহৃত হয়। পাত্রের লিকুইড ও গ্রেইন সমভাবেই কাজ করবে তাই আলাদা করার দরকার নেই। ৩০০ গ্রাম ক্যাফির বীজ দিয়ে ৬ লিটার ক্যাফির করা যাবে। প্রতিবার একটু একটু করে অথবা ছয় লিটার একবারেও করতে পারবেন।
ক্যাফির জিনিশটা আসলে কি! ক্যাফির মানেই ফার্মেন্টেড ও প্রোবায়োটিক মিল্ক। এটাকে কালচার্ড মিল্ক ও বলে। আপনি যে কারণে টক দই খাচ্ছেন, সে কাজটাই যথার্থ করে দিচ্ছে ক্যাফির। ক্যাফিরে দইয়ের চেয়ে বহুগুনে ও অতি উচ্চমানের অনেকগুলো প্রোবায়োটিক থাকে। এটার স্বাদ অনেকটাই গ্রিক ইয়োগার্টের মত, তবে টকটা হয় হালকা। ক্যাফির ড্রিংক অত্যন্ত মজার। গাটের স্বাস্থ্য রক্ষায় ক্যাফির বিশ্বব্যাপী বিশ্বস্ত। ক্যাফিরে ল্যাকটোজ ভেঙ্গে যায় বলে ল্যাকটোজ ইনটলারেন্টস লোকেরাও ক্যাফির খায়। ক্যাফির ওজন কমায়, গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণ করে, আইবিএস এও দারুণ উপকারী হয়। ইন্টারনেট বা চ্যাট জিপিটিতে health benefit of kefir লিখে সার্চ দিলে এর উপকারিতার বিস্তারিত তথ্য জানা যায়। আমাদের কাছে ক্যাফির বীজ ও খাবার উপযোগী রেডি-ক্যাফির – দুটোই পাবেন। খাঁটি গরুর র’দুধ দিয়েই ক্যাফির সবচেয়ে ভালো হবে। নরমাল ফ্রীজে রেখে দিলেই ক্যাফির ভালো থাকে ২৫ দিন।
| Size |
200g |
|---|
