Kefir Beej 300g

৳ 560.00

Category: Tags: , , ,
Description

ক্যাফির বীজ।
ঘরে বসে বিশ্বমানের ক্যাফির তৈরির জন্য ক্যাফির বীজ কাজ করে অসাধারণ।

এটা হোম মেইড লিকুইড ক্যাফির বীজ, দেখতে দই এর মত তবে ঘনত্ব কম। ক্যাফির বীজ এর প্রতিটি ফোটা লাইভ স্ট্রেইনে পূর্ণ থাকে, ফলে এটা দিয়ে তৈরি ক্যাফির হয় বিশ্বমানের। আমেরিকার তৈরি ক্যাফির স্টার্টার কালচার ব্যবহার করে যথার্থ পদ্ধতি অনুসরণে তৈরী হয় এ ক্যাফির বীজ। তাই ক্যাফির তৈরিতে এটা মানসম্পন্ন ও নির্ভরযোগ্য। আমাদের কাছে এ সাইটেই আপনি রেডি ক্যাফির ও ক্যাফির বীজ দুটোই পাবেন।

৩০০ গ্রাম ক্যাফির বীজ দিয়ে ৬ লিটার ক্যাফির করা যাবে। এক কাপ করে অনেকবার করতে তৈরি পারবেন, অথবা করতে পারেন ছয় লিটার একবারেও। গরুর দুধ (ব্রান্ডেড ভালো মানের লিকুড প্যাকেট দুধ) ব্যবহার করে ক্যাফির তৈরি করতে পারবেন।

দুধ একবার মাত্র ফুটিয়ে নিন। এরপর নামিয়ে ওটা নরমাল হতে দিন, এরপর ওতে ঢেলে দিন ক্যাফির বীজ। প্রতি লিটার দুধের জন্য ৫০ গ্রাম বীজ মেশানোই (এক কাপের জন্য ১ টেবিল চামচ) যথেষ্ট। ভালোকরে নেড়ে চেড়ে  মেশাতে হবে। এবার একটি পরিষ্কার কাঁচের পাত্র নিন, ওই দুধ ওটাতে ঢেলে দিন। পাত্রের মুখটা ঢাকনা দিয়ে ঢাকবেন না, ঢাকতে হবে কাপড় দিয়ে। এতেই ফার্মেন্টেশনের কারণে উৎপন্ন গ্যাসটা বেরিয়ে যেতে পারবে।  এবার পাত্রটি ঘরের কোন সাধারণ শুষ্ক স্থানে রেখে দিন। ৮ থেকে ১২ ঘন্টা ৩০-৪০ ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রায় রাখা হলেই ভালো, তাতেই দারুন কাজ হবে। তাপমাত্রা কিছু কম বেশি হলে ফারমেন্টেশন প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হতেও সময় কিছু কম-বেশি লাগবে।‌ তাই ৬ ঘন্টা পরেই একবার চেক করে দেখুন। দুধ কিছুটা জমে এসেছে – এমন দেখলে পাত্রটি ধরে ফ্রিজের নরমাল চেম্বারে রেখে দিন। এ সময় পাত্রের মুখে ঢাকনা আটকে দিবেন। ঘন্টা তিনেক যেতে দিন, এরপর পাত্রটি ফ্রিজ থেকে বের করতে পারেন। পাত্রটি খুলেই আপনি যেটা দেখতে পাবেন সেটাই বিশ্বমানের ক্যাফির। আপনার নিজের তৈরি অতি উপকারী মিল্ক ক্যাফির।

লক্ষ্য রাখবেন, ফার্মেন্টেশনে সময় বেশি দেয়া যাবে না।  ওভার ফার্মেন্টেড হয়ে গেলে ক্যাফির জমে যাবে, অনেক বেশি ঘন দেখাবে, কখনো জমাট বাধা ক্যাফির পানি ছেড়ে দিয়ে উপরে ভেসে থাকবে। ওই ক্যাফির খেতে কিছুটা ঝাঁঝালো লাগতে পারে। তবে ওটার গুনাগুন তখনও অনেকটাই ঠিক থাকবে, খাওয়ার উপযোগী থাকবে, যথেষ্ট উপকারীও থাকবে।

লিকুইড ক্যাফির বীজ এর প্রতিটি ফোটা সমানভাবে কাজ করে। ভেতরে থাকা দানাগুলোর তাই সেকে আলাদা করার কোনোই গুরুত্ব নেই। আপনার তৈরি ক্যাফির দিয়ে পরেও ক্যাফির করতে পারবেন, তবে তাতে প্রোবায়োটিকের উপস্থিতি অনেকটাই কম থাকবে।

আপনি পরপর ১৫ টা দিন ক্যাফির খেলে সার্বিক শারীরিক উন্নতি দেখে অবাক হয়ে যাবেন। কারণ আইবিএস থেকে থাকলে সেটা হয়ত ইতিমধ্যেই বেশ কমে গেছে, হজম শক্তি কাজ করতে শুরু করেছে দুর্দান্ত, তাই শরীর যথেষ্ট শক্তিমান হয়েছে। এ সময় আপনি বেশ হালকা-পাতলা বোধ করছেন চলাফেরায়, যথেষ্ট প্রাণবন্ত ও ফুরফুরে অনুভব করছেন অনুভুবে ও চেতনায়।

ক্যাফির খাচ্ছেন মানে দুধের সকল পুষ্টিগুণ ও মাল্টি মিনারেলস নিয়মিত পাচ্ছেন, সাথে থাকছে অমূল্য শক্তিমান বহুপদী প্রবায়োটিকস। ক্যাফির এ দুধের ল্যাকটোস ভেঙ্গেই ল্যাকটোবাসিলাস কিফিরি নামক শক্তিমান প্রবায়োটিক তৈরি হয়, ফলে ল্যাকটোজের সমস্যাটাও পাচ্ছে না আপনাকে। গাটের স্বাস্থ্য রক্ষায় ক্যাফিরের চেয়ে অব্যার্থ ও শক্তিমান কিছুই এ বিশ্বচরাচরেই আর হয় না। ক্যাফির তাই ‘লাইভ সুপার ফুড’ বলে বিশ্বব্যাপী বিশ্বস্ত। ক্যাফির বীজ ও তৈরি ক্যাফির দুটোই সংরক্ষন সহজ, নরমাল ফ্রিজে রেখে দিলেই হবে,  ৪ ডিগ্রি তাপমাত্রায় রাখা হলে ভালো থাকবে একমাস।

সবজি বাদাম ও বীজ ভিত্তিক বিশ্বখ্যাত ও বহুলোপকারী খাদ‌পণ্য তৈরি করছি আমরা।  অত্র ওয়েবসাইটেই আমাদের সকল প্রডাক্টস বর্ণনাসহ বিস্তারিতভাবে দেখা যাবে।

অনেক ধন্যবাদ সম্মানিত কাষ্টমার।

Additional information
Size

200g

Shipping & Delivery